:জীর্ণ তরণী:
নব তারুণ্যে চকিত এ হৃদয় কাঁপিছে থরথরিয়ে
তিমির মাঝারে তরণী যেন দিগ্ভ্রান্ত কূল হারাইয়া l
জোয়ার যখন প্লাবনের পাশে,
হাতে হাত রেখে হা হা করে হাসে l
মোর জীর্ণ বৈঠা পাল,
হইল ভীত, ছাড়িল হাল l
তবুও আমি প্রচেষ্টায় বারবার,
মন্থন মোর চলিবে অনিবার l
লাঘব করিব আপন তরণীভার,
এই মহাসাগরে নাহি মানিব হার l-
ওরাও কেমন,
হন্যে হয়ে ভালোবাসা,
খোঁজে পাঁকে,"পদ্ম-পেটে" ক্ষুধার
জ্বালা,চির-সংগ্রামীদের অনশন আঁকে বাঁকে !!-
আমার ভাষা গল্প বলে, ইতিহাস সংগ্রামী,
আমার ভাষা, ভালোবাসা, প্রাণের চেয়ে দামি।-
বেলেগৰ দৰে মই
আহিব নিবিচাৰোঁ
তোমাৰ সপোনৰ
শুকুলা ঘোঁৰাত উঠি... (!)
আহিব নিবিচাৰোঁ মই
তোমাৰ হেঁপাহৰ
কিনকিনিয়া
বৰষুণজাক হৈ... (!)
তুমি জানো পাৰিবা...(?)
মোৰ ভগ্ন হৃদয়খনত তোমাৰ ভগ্ন হৃদয়খনি গুঁজি তোমাৰ মোৰ সপোনৰ সতে ওৰেটো জীৱনলৈ............ (!)
জীৱন সংগ্ৰামৰ সংগী হবলৈ....(!?!)-
সংগ্ৰামৰ সংজ্ঞা
সংগ্রামৰ সংজ্ঞা কি দিম
সংগ্ৰামত নিজস্বতা হেৰুৱাই মই ভাবুক এক দুখৰ পৰিধিৰ মাজত
যত একোৰে সীমান্ত নাই-
নিজের কাজটুকু করে যাও,
সংগ্রামের পথ ধরেই ভাগ্য বদলায় ।
পচে যাওয়া সময়ের ফাটা গোড়ালিতে বিশ্বাসের মলমে-
ইচ্ছের ঘরে বোহেমিয়ান মন আকাঙ্ক্ষার অনলে ফানুস ওড়ায় ।
অন্তহীন কর্মে লিপ্ত হয়ে নিরন্তর ছুটে চলে লড়াকু হৃদয় ,
কল্পনার বিছানায় স্বপ্নের আবদারে আবেগ বুনে বসন্ত সাজায় ।
ব্যর্থতার জমিনেই হয় সাফল্যের বীজ বপন ,
অন্তরের ইচ্ছাশক্তির উপর নির্ভর সুখী-জীবন ।-
প্রতিবারই তো ঝড় আসে প্রকৃতি তান্ডবে মাতে,
পথের ধারে জীর্ণ-শীর্ণ একাকী গাছটাই তো জানে
প্রকৃত লড়াই করে বেঁচে থাকার মানে।
-
শিরোনাম - মনের মাঝে সুভাষ
কলমে - ডেভিল
মনের মাঝে সাহসের
এক নাম ছিলো সুভাষ
যার প্রতি ভারতবাসীর
ছিলো অগাধ বিশ্বাস,
ব্রিটিশ চোখে চোখ রেখে
রব তোলেন আজাদ হিন্দ
দেশের জন্য তব তাগ্যের
শোধ হবে না কভু এই ঋণ।-
"জীৱনৰ কণ্টকময় পথত
নিৰবিচ্ছিন্ন সাধনাৰে,হেজাৰ প্ৰত্যাহ্বানকো নেওঁচি
লক্ষ্যপ্ৰাপ্তি কৰাজনেই প্ৰকৃত যুঁজাৰু।"-
সংগ্ৰামৰ সংজ্ঞা-
সংগ্ৰামৰ সংজ্ঞা কি দিম!
সংগ্ৰাম হৃদয়ত ককবকাই ফুৰা এখনি নাওঁ।
কিন্তু হেপাহঁ নাওঁখন নুডুবাকৈ ৰখাৰ।-